
জেলা প্রতিনিধিঃ
মৌলভীবাজার জেলার জুড়ীতে তিন চাঁদাবাজের খপ্পড়ে পড়ে দীর্ঘদিন থেকে উপজেলাবাসি আতঙ্কিত।দীর্ঘদিন থেকে গণমাধ্যম কর্মী হয়ে করে আসছেন চাঁদাবাজি।বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জুড়ী উপজেলা পরিষদ,থানা ও পিডিবির বিদ্যুৎ অফিস সহ জুড়ী বাজারের বিভিন্ন ব্যবসায়ীর কাছ থেকে নিরবে নির্বিঘ্নে করে আসছেন চাঁদাবাজি।নিউজ এর ভয় ভীতি দেখিয়ে এ চক্র হাতিয়ে নিচ্ছেন লক্ষ লক্ষ টাকা,এতে করে জুড়ীতে তাদের গড়ে উঠেছে বিশাল বড় চাঁদাবাজ চক্র।চাঁদাবাজ চক্রের সদস্য, মাইটিভির জুড়ী উপজেলা প্রতিনিধি,মনিরুল ইসলাম ওরফে চাঁদাবাজ মনির নামে জুড়ীতে পরিচিতি লাভ করে।আরেক সদস্য,দৈনিক ভোরের কাগজ জুড়ী প্রতিনিধি,সাইফুল ইসলাম সুমন ওরফে পেটলা সুমন নামে উনিও পরিচিতি লাভ করেন।সদস্য তিন,দৈনিক আমার দেশ জুড়ী প্রতিনিধি দাবি করেন,হারিস মোহাম্মদ ওরফে জোয়াড়ী হারিস নামে পরিচয় লাভ করেন।জুড়ী উপ-সহকারী প্রকৌশলী পিডিপি অফিসের কর্মকর্তা,আনসারুল কবির শামিমের কাছে 2 লক্ষ টাকা ঐ তিনজন চাঁদা দাবির অডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।চাঁদা না পেয়ে শামীমের উপর ক্ষিপ্ত হয়ে, উনার বিরুদ্ধে একের পর এক নিউজ করে বদলি করানো হয়।এর কিছু দিন পর একটি এনজিও প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তার কাছ থেকে ৫ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করেন,এ বিষয়ে ওই কর্মকর্তা জুড়ী থানায় তিনজনের বিরুদ্ধে একটি চাঁদাবাজির অভিযোগ দায়ের করেন।চাঁদা না পেয়ে উনার বিরুদ্ধে অসংখ্য নিউজ করেন।এরপর জুড়ী বদর উদ্দিন জেনারেল হসপিটালে তিন লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করেন।চাঁদা না পেয়ে হসপিটালের সুনাম ক্ষুন্নের জন্য অসংখ্য নিউজ করেন।জুড়ী নাইট চৌমুহনীতে এক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা হাতিয়ে নেয় এসময় রাতের একটি ভিডিও রেকড রয়েছে।এবং জুড়ী পোস্ট অফিস রোডের আরেক ব্যবসায়ীর কাজ থেকে ৩০ হাজার টাকার ও একটি ভিডিও পাওয়া গেছে।ব্যবসায়ীদেরকে বিভিন্ন ভাবে হয়রানি করেন।এবং জুড়ী থানা পুলিশের ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমির) নাম ভাঙ্গিয়ে বাজারের ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে চাঁদাবাজির তিনজনে ভিডিও পাওয়া গেছে।
মনিরুল ইসলাম আন্ত উপজেলা চাঁদাবাজ চক্রের মূল হোতায় পরিণত হয়েছেন,তিনি সাবেক পরিবেশ মন্ত্রীর ছেলেকে তেলমের আওয়ামীলীগের প্রভাব খাটিয়ে উপজেলা কর্মকর্তাদের কাছ থেকে বিভিন্ন ভাবে করেন চাঁদাবাজি ও টেন্ডারবাজি করেন,চাঁদাবাজি করে গড়ে তুলেছেন জুড়ী মডেল একাডেমী ও একটি লাইব্রেরী রয়েছে তার ভুয়া সার্টিফিকেট ব্যবহার করে নাম লাগিয়েছ প্রধান শিক্ষক একাডেমিতে শিক্ষার মান ও খুবই খারাপ ছাত্রদের কাছ থেকে হাতিয়ে নিচ্ছে হাজার হাজার টাকা,তার লাইফ স্টাইল ভারতীয় জনপ্রিয় সিনেমার নায়ককে ও হার মানায়।
খবর নিয়ে জানা যায় চাঁদাবাজি করে মনির জুড়ী উপজেলার পিছনে ৬ শতক জায়গা কিনেছেন যার বাজার মুল্য ৩০ লক্ষ টাকার উপরে।শাহাব উদ্দীন এমপি কাছ থেকে ৫ টি ডিপটিউবওয়েল হাতিয়ে নেয় এবং ৪ টি বিক্রি করেন তিনি এবং একটি ডিপটিউবওয়েল তাহার ক্রয়কৃত খালি জমির উপর বসানো হয়।
সাবেক সদর জায়ফরনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান,মোসলেহ উদ্দিনের ছেলে সাইফুল ইসলাম সুমন ওরফে পেটলা সুমন,তিনি ও সাবেক পরিবেশমন্ত্রীকে তেলমেরে আওয়ামীলীগের প্রভাব খাটিয়ে জুড়ীতে রাম রাজত্ব কায়েম করেন।এবং জুড়ী উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও ফুলতলা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান,মাসুক আহমদের সাথে গবির সম্পর্ক তৈরি করেন। মাসুক আহমদের বাসাতে কাজের লোক না থাকায় উনার বাজার সদাই করে দিতেন তিনি।সুমন তার ঘরে প্রথম স্ত্রী রেখে।এক সময় চেয়ারম্যানের স্ত্রীর প্রতি সুমনের খারাপ নজর পড়ে,দুজনের মনের মধ্যে তৈরি হয় ভালোবাসা পরকীয়ায় লিপ্ত হন দুজন।কিছু দিন পর চেয়ারম্যানের দ্বিতীয় স্ত্রীকে নিয়ে পালিয়ে যায় সুমন।
হারিস মোহাম্মদ ওরফে জোয়াড়ী হারিস,তিনি কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও কুলাউড়ার সাবেক এম,পি,শফিউল ইসলাম চৌধুরী নাদেলের সাথে গভীর সম্পর্ক থাকার সুবাদে আওয়ামীলীগের প্রভাব খাটিয়ে জুড়ীতে জুয়া,ইয়াবা ও পতিতালয়ের ব্যবসা করেন তিনি।৫ আগস্ট এরপর নিজের খোলস পাল্টিয়ে উপজেলা কৃষকদলের সহ সভাপতি দাবি করে জুয়া,ইয়াবা ও পতিতালয়ের ব্যবসা চালিয়ে আসছেন।এক পতিতার সাথে তার কল রেকর্ড যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।জুড়ীতে গরেরগাঁও গ্রামে একটি বাড়িতে হারিস মোহাম্মদের নেতৃত্বে প্রতিদিন বসতো জোয়ার আসর আরমান জুয়ার বিষয়ে প্রতিবাদ করিলে,হারিস,মনির,সুমন সহ সকল জুয়াড়ী মিলে থাকে নিশংসভাবে কুপিয়ে হত্যা করা হয়।এ বিষয়ে হারিসের বিরুদ্ধে দৈনিক সমাবেশ সহ বেশ কিছু পত্রিকার নিউজ গণমাধ্যমের ছড়িয়ে পড়ে।এলাকাবাসী বলেন আরমান হত্যার আসল নেতৃত্বদানকারী,হারিস,মনির,সুমন এখন ও ধরাছোঁয়ার বাহিরে রয়েছে।আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে এলাকাবাসীর বলেন এই তিনজনকে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা হউক।
৩ আগস্ট জুড়ীতে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের উপর হামলার একটি মামলা হয়েছে আওয়ামী লীগের উপর থানায়।এই সুযোগে মনির,সুমন,হারিস সহ চাঁদাবাজ চক্র জুড়ীতে আওয়ামী লীগের নির্দোষ অসহায় তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মামলা ও মিথ্যা নিউজের ভয় ভীতি দেখিয়া অনেকের কাছ থেকে ২০/৩০/৫০/হাজার টাকা করে হাতিয়ে নিয়েছে।সাংবাদিক নামদারি এই তিনজন চাঁদাবাজ চক্রের বিরুদ্ধে মৌলভীবাজার আদালতে চাঁদাবাজির আরো একটি মামলা করেন বড়লেখার উপজেলার জাহাঙ্গীর।
৫ আগস্টের পর থেকে এই চাঁদাবাজ চক্রটি এখন বিএনপির লোক বলে দাবি করে।উপজেলা বিএনপির সবাই তাদের চাঁদাবাজির বিষয়ে জেনে গেছে, বিএনপিতে কোনো সুযোগ না পেয়ে,এখন বিএনপির বিরুদ্ধে ও মিথ্যা বানোয়াট নিউজ করা শুরু করেছেন।
এদের বিরুদ্ধে আরো অসংখ্য মানুষের অভিযোগ রয়েছে।এই চাঁদাবাজ চক্রের বিরুদ্ধে কোন সম্মানী ব্যক্তি কথা বললে,সম্মানী ব্যক্তির বিরুদ্ধে মিথ্যা বানোয়াট নিউজ করে তাকে নাচতে নাবোধ করা হয়।সম্মানের কথা চিন্তাকরে কেউ ভয়ে মুখ খুলতে চায় না।
এ বিষয়ে জুড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ মোরশেদুল আলম ভূইয়ার সাথে মোটু ফোনে যোগাযোগ হলে তিনি জানান,থানায় চাঁদাবাজির বিষয়ে কোনো অভিযোগ পেলে এবং জুড়ী থানার নাম ভাঙ্গিয়ে কেউ চাঁদাবাজি করলে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করব ইনশাআল্লাহ।