অনলাইন ডেস্ক : মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এমন পরিস্থিতিতে আগামী পাঁচ দিন টানা বৃষ্টি ঝরতে পারে বলে আভাস দিয়েছে সংস্থাটি।
মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, প্রথম দিন (৬ অক্টোবর) রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এ ছাড়া সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে ও রাতে প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
দ্বিতীয় দিন বুধবার (৭ অক্টোবর) রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।
এ দিন সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
তৃতীয় দিন বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও খুলনা বিভাগের অনেক জায়গায় এবং বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি বৃষ্টি হতে পারে। এ সময় সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে ও রাতে প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
এ ছাড়া চতুর্থ দিন শুক্রবার (৯ অক্টোবর) রংপুর, ময়মনসিংহ ও ঢাকা বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি বৃষ্টি হতে পারে। এ দিন সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।
পরদিন শনিবার (১০ অক্টোবর) রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। পাশাপাশি সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে ও রাতে প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
এদিকে গতকাল সকাল ৬টা থেকে আজ মঙ্গলবার সকাল ৬টা পর্যন্ত দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে খুলনায় ৩৫ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় সর্বোচ্চ বৃষ্টি ঝরেছে চট্টগ্রামের আমবাগন এলাকায় ২৬ মিলিমিটার।