অনলাইন ডেস্ক: আফগানিস্তান থেকে পাকিস্তানে ড্রোন পাঠানোর দাবি পুরোপুরি প্রত্যাখ্যান করেছে আফগানিস্তান। এ ছাড়া আফগান সামরিক বাহিনী এখনো কোনো ড্রোন হামলা চালায়নি উল্লেখ করে সূত্রের বরাতে সংবাদমাধ্যম তোলোনিউজ জানিয়েছে, পাকিস্তানের বিমান হামলার জবাবে কখন এবং কিভাবে প্রতিশোধ নেওয়া হবে তা তারা নিজেরাই নির্ধারণ করবে।
এর আগে পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম জানায়, কোহাত ও তোরখাম সীমান্তের কাছে আফগানিস্তান থেকে পাঠানো ৮টি ড্রোন গুলি করে ভূপাতিত করার দাবি করেছে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী। সাম্প্রতিক হামলার জবাবে এবং নিজস্ব সীমান্ত সুরক্ষায় এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে দাবি তাদের।
রাজনৈতিক বিশ্লেষক আব্দুল নাসির শফিক মন্তব্য করেছেন, ‘পাকিস্তান দীর্ঘদিন ধরেই অন্যদের ইশারায় আফগানিস্তানের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বিনষ্ট করার চেষ্টা করে আসছে। নিজেদের অর্থনৈতিক ও আর্থিক চাহিদা মেটাতে তারা অন্য কোনো দেশের এজেন্ট হিসেবে এই মিশন হাতে নিয়ে থাকতে পারে।
অন্যদিকে, বেসামরিক নাগরিকদের ওপর এমন নৃশংস হামলার পরেও জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের নীরব ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বিশ্লেষকরা। বিশ্লেষক মইন গুল সামকানি বলেন, ‘পাক্তিকা ও কুনারে হামলা চালিয়ে পাকিস্তান আবারও ক্ষমা অমার্জনীয় অপরাধ করেছে। জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের উচিত এ বিষয়ে পাকিস্তানকে জবাবদিহিতার আওতায় আনা, যাতে ভবিষ্যতে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে।’
উল্লেখ্য, গত সোমবার ভোর ৩টার দিকে কুনার ও পাক্তিকা প্রদেশে এই আকস্মিক বিমান হামলা চালায় পাকিস্তানি বাহিনী।
এতে ৩ জন নিহত এবং ৪ জন আহত হন। আফগানিস্তান ইতিমধ্যে এ ঘটনার উপযুক্ত জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে।