উত্তর কাফরুলে গোপনে এক বাড়ি ১৭ জনের কাছে বন্ধক

জামাল উদ্দিন, সিনিয়র ক্রইম রিপোর্টার: টমাস সুব্রত হালদার সেন্টু ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে উত্তর কাফরুলের একটি বাড়ির বিভিন্ন ফ্ল্যাট একাধিক ব্যক্তির কাছে গোপনে বন্ধক রেখে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে।

গত ২৭ অক্টোবর ২০২৬, মঙ্গলবার ১৭ জন ভুক্তভোগী এ ঘটনায় মানববন্ধন করেন।

অভিযুক্তরা হলেন—বাড়ির মালিক টমাস সুব্রত হালদার সেন্টু, তার স্ত্রী দাতা হালদার এবং ছেলে শুভ হালদার। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, সেন্টু বিভিন্ন ফ্ল্যাট একাধিক ব্যক্তির কাছে বন্ধক রেখে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিয়ে কিছুদিন আগে পালিয়ে গেছেন। তারা অবিলম্বে সুদে-আসলে এই টাকা ফেরত এবং প্রতারকদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে আত্মসাৎ করা টাকার তালিকা :
১. হযরত আলী (৩৪) – ৫,০০,০০০/- টাকা ২. সুজন চন্দ্র দাস (৩৫) – ৭,০০,০০০/- টাকা ৩. মো. নুরুল ইসলাম – ৩,৫০,০০০/- টাকা ৪. মো. সাইদুল রহমান (৪১) – ৮,৫০,০০০/- টাকা ৫. মো. মুরাদ হোসেন (৪১) – ৩,০০,০০০/- টাকা
৬. মো. হাবিবুর রহমান (৬২) – ৭,০০,০০০/- টাকা ৭. আব্দুল হান্নান বেপারী (৭০) – ১০,০০,০০০/- টাকা ৮. মনির হোসেন (৩৮) – ৭,০০,০০০/- টাকা ৯. মো. মোশারফ হোসেন (৫৪) – ৬,০০,০০০/- টাকা ১০. সুমাইয়া আক্তার মিম (২৪) – ৭,০০,০০০/- টাকা ১১. নাছিমা খানম (৪৮) – ১০,৫০,০০০/- টাকা ১২. লিয়াকত আলী ( ৪৫) – ৫,০০,০০০/- টাকা ১৩. রাশেদুল হাসান (৫০) – ৮,০০,০০০/- টাকা ১৪. শামীম হায়দার (৪৪) – ৬,০০,০০০/- টাকা ১৫. ফাতেমা বেগম (৪৫) – ৮,০০,০০০/- টাকা ১৬. শেখ নাসির উদ্দিন টুটুল (৪৪) – ৭,০০,০০০/- টাকা ১৭. অবসরপ্রাপ্ত সিনিয়র অর্ডন্যান্স অফিসার মো. নুরুল ইসলাম – ৬,০০,০০০/- টাকা ।

তারা পরস্পর যোগসাজশে প্রতারণা করে এবং সম্পত্তি সমর্পণ করানোর জন্য অসাধুভাবে প্ররোচিত করে এই অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ করেছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *